পবায় পুকুর খননের হিড়িক

পবা রাজশাহী

শুস্ক মৌসুমের শুর্বতে বিলের পানি নেমে যেতেই পুকুর খননের হিড়িক পড়েছে পবা উপজেলা জুড়ে। প্রতিদিনই  বাড়ছে নতুন নতুন পুুকুর খননের সংখ্যা। এতে খননকৃত পুকুরের কারনে বাড়িঘর ও আবাদী জমিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টির আশংকায় প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দিচ্ছেন সংশিৱষ্ট এলাকার গ্রামবাসি।

বিভিন্ন এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শুস্ক মৌসুমের শুর্বতেই পবা উপজেলার বিভিন্ন বিলে আবারো শুর্ব হয়েছে পুকুর খননের হিড়িক। বড়গাছি ইউনিয়নের পুর্বপাড়ায় ২টি, বড় আমগাছিতে ১টি ও দাদপুরে ১টি পুকুর কাটা হচ্ছে। সবচেয়ে বেশী পুকুর খনন হচ্ছে পারিলা ইউনিয়নে। ফলিয়ার বিলে, কাঠালপাড়া বিলে ও ঘোলহাড়িয়া বিলে পুকুর খনন করা হচ্ছে। ঁেখাজ নিয়ে জানা গেছে, এই উপজেলায় আরো শতাধিক পুকুর খননের অপেৰায় আছে বলে একটি সুত্র জানিয়েছে। সরকারী খাল বন্ধ করে পুকুর খনন করায় পানি নিস্কাশনের পথ বন্ধ হওয়ায় সৃষ্টি হচ্ছে জলাবদ্ধতা। অন্যদিকে পুকুর খননের করনে জলাবদ্ধতায় সরকারি গ্রামীণ রাস্তাগুলো নস্ট হচ্ছে। এরপরও অজ্ঞাত কারনে  টনক নড়ছে না সংশ্লিষ্ট বিভাগের।

শ্রমিক দিয়ে পুকুর খননের খরচ বেশী হওয়ায় অল্প সময়ে স্বল্প খরচে এক্সকেভেটর (ড্রেজার) নামক আধুনিক যন্ত্র দিয়ে শত শত বিঘা ধানি জমি কেটে পুকুর তৈরী করা হচ্ছে। এতে করে রবি ও খাদ্যশস্য ভান্ডারখ্যাত পবায় দিনকে দিন আশংকা জনক ভাবে খাদ্য শস্য উৎপাদন হ্রাস পেতে যাচ্ছে।

পবা উপজেলা কৃষি ও পরিসংখ্যান অফিস থেকে জানা গেছে, গত বছরই উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে প্রায় সাড়ে ৩শ’ হেক্টর আবাদি জমি পুকুর হয়েছে। বর্তমানে আরো কয়েক’শ বিঘা নতুন পুকুর খনন অব্যাহত রয়েছে।
উপজেলা ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এসএম আশরাফুল হক তোতা বলেন, উপজেলা জুড়েই নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে পুকুরখনন চলছে। এরইমধ্যে জলাবদ্ধতার আশংকায় উপজেলা পরিষদে বিভিন্ন গ্রামবাসিরা অভিযোগ করেছেন। এই পুকুর কাটার বির্বদ্ধে শীঘ্রই ব্যবস’া নেয়া হবে।

খবরঃ দৈনিক সোনালী সংবাদ