রাজশাহীতে বড়দিন উদযাপনে বর্ণাঢ্য আয়োজন

ধর্ম কথা রাজশাহী

বছর ঘুরে আবারও দরজায় কড়া নাড়ছে বড়দিন (ক্রিসমাস)। তাই আলোয় ঝলমল করছে খ্রিস্ট সম্প্রদায়ের বাড়িগুলো। আনন্দ উৎসবের আলোয় ভরিয়ে তুলতে ব্যাপক প্রস্তুতি নিচ্ছেন রাজশাহীর খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষ।

বড়দিন উপলক্ষে এরই মধ্যে মহানগরীর অভিজাত হোটেলগুলোতে বিশেষ আয়োজন করা হচ্ছে। বড়দিনে বিশেষ প্রার্থনা করা হবে প্রতিটি গির্জায়।

দুই হাজার বছর আগে স্বর্গের দূতরা যীশুর জন্মবারতা জানিয়ে যেভাবে গেয়ে উঠেছিলেন সেভাবে সবাই গেয়ে উঠবেন, ‘ঊর্ধ্বলোকে ঈশ্বরের মহিমা এবং পৃথিবীতে তাহার প্রিয়পাত্র মনুষ্যদের মধ্যে শান্তি।’ বড়দিন উপলক্ষে রাজশাহীর খ্রিস্টান সম্প্রদায় বেথলহেমের সেই আবহ সৃষ্টি করতে ইতোমধ্যে তাদের বাড়িতে তৈরি করেছে প্রতীকী গোশালা।

গির্জা ও হোটেলেগুলো বড়দিনের ঐতিহ্যবাহী জাঁকজমকপূর্ণ সাজসজ্জায় সাজছে। গোশালা স্থাপন, রঙিন কাগজ, ফুল ও আলোর বিন্দু দিয়ে ক্রিসমাস ট্রি সাজানো হয়েছে দৃষ্টিনন্দন করে। গির্জা ও অভিজাত হোটেলগুলোতে টুকটুকে লাল পোশাক পরা সফেদ দাঁড়ি-গোঁফের বুড়ো সান্তা ক্লজ উপহারের ব্যাগ কাঁধে নিয়ে ছোট্ট সোনামণিদের হাতে তুলে দেবেন মজার মজার উপহার। সব প্রস্তুতিই শেষ। কেবল উৎসবের অপেক্ষা।

খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের মহোৎসব শুভ বড়দিন উদযাপনের লক্ষে সিটি চার্চে ২৫ ডিসেম্বর (রোববার) সকাল সাড়ে ৮টায় বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হয়েছে।

শনিবার (২৩ ডিসেম্বর) রাজশাহীর বাগানপাড়া চার্চের ফাদার পল গোমেজ বলেন, একই সময়ে প্রার্থনার আয়োজন করা হয়েছে দ্বিতীয় বড় উপাসনালয় বাগানপাড়া চার্চেও।

বিশেষ উপাসনা শেষে দুপুরে রয়েছে প্রীতিভোজ। রাতে ৯টায় কীর্তন গান প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়া সিটি চার্চ ও ডিঙ্গাডোবা চার্চসহ মহানগরীর অন্যান্য উপাসনালয়ে রাতে যিশু খ্রিস্টকে স্মরণ করে প্রার্থনা করা হবে। এতে বাংলাদেশসহ গোটা বিশ্বের মানুষের সুখ-সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করা হবে বলে জানান তিনি।

রাজশাহীর অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার সরদার তমিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, বড়দিন উদযাপনের লক্ষে চার্চগুলোতে এবার বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

সবাই আনন্দঘন পরিবেশেই উৎসব উদযাপন করতে পারবেন বলে জানান তিনি।

খবরঃ বাংলানিউজ