রাজশাহী-ঢাকা রুটের বিমান ভাড়া, টিকিট ও ফ্লাইটের তথ্যসমূহ

টপ নিউজ নির্বাচিত খবর রাজশাহী

রাজশাহী বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের একটি বিভাগীয় শহর। পদ্মা নদীর পারে অবস্থিত রাজশাহী বেশ প্রাচীন এবং ঐতিহ্যবাহী। রাজশাহীর রেশমি পোশাক, আম, লিচু ও মিষ্টি জাতীয় দ্রব্য বাংলাদেশের সবার কাছেই অনেক জনপ্রিয়। এছাড়া শিক্ষানগরী হিসেবেও রাজশাহীর বেশ খ্যাতি আছে। এখানে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী কলেজ সহ আরও নামকরা কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। বিভিন্ন কারনেই ঢাকা রাজশাহী রুট বাংলাদেশের অন্যতম ব্যাস্ত একটি রুট।

ঢাকা রাজশাহী দূরত্ব এবং সময় – আকাশপথ

আকাশপথে ভ্রমণ আর আগের মত আকাশকুসুম কোন কল্পনা নয়। বিমান বাংলাদেশের পাশাপাশি দেশে এখন আরও বেশ ব্যাক্তি মালিকানাধীন বিমান সংস্থা তাদের ব্যাবসা পরিচালনা করছে। তাদের বিমানগুলোও বেশ চমৎকার, নিরাপদ ও আরামদায়ক।

স্বাভাবিকভাবেই আকাশপথে ঢাকা রাজশাহী ভ্রমণ হবে অনেক সংক্ষিপ্ত এবং ঝামেলা বিহীন। আকাশ পথের হিসেবে এক্ষেত্রে আপনাকে সর্বচ্চ ১৯৮ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করতে হবে। সবচাইতে চমৎকার ব্যাপার হল এজন্য আপনার সময় লাগবে মাত্র ৪৫ মিনিট থেকে সর্বচ্চ ৫৫ মিনিট মাত্র।

ঢাকা রাজশাহী রুটের বিমান সংস্থা বা এয়ারলাইন্স

ঢাকা রাজশাহী রুটে যেসব বিমান সংস্থা সার্ভিস দিয়ে থাকে তারা হলঃ

  • বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স
  • নভোএয়ার
  • ইউ এস বাংলা এয়ারলাইন্স

ইউ এস বাংলা এয়ারলাইন্স নিয়মিত রাজশাহীতে ফ্লাইট পরিচালনা করে

এর মধ্যে শুধু নভোএয়ার এবং ইউ এস বাংলা এয়ারলাইন্স সপ্তাহের প্রতিদিন ফ্লাইট পরিচালনা করে থাকে। বাংলাদেশ বিমান শুধুমাত্র শুক্রবার ব্যতিত প্রতিদিন ফ্লাইট পরিচালনা করে।

ঢাকারাজশাহী রুটের ফ্লাইট সমূহ

ঢাকা রাজশাহী রুটে এই তিনটি বিমান সংস্থা বিভিন্ন দিক বিবেচনা করে বিভিন্ন সময়ে ফ্লাইট পরিচালনা করে থাকে।

আপনাদের সহজে বোঝার সুবিধার্থে এ নিয়ে একটি টেবিল** তৈরি করলামঃ

ঢাকা রাজশাহী রুটের সাপ্তাহিক ফ্লাইটের হিসাব

**বিঃদ্রঃ ফ্লাইট সংখ্যা এবং অন্যান্য তথ্যাদি সংশ্লিষ্ট বিমান সংস্থার ওয়েবসাইট থেকে নেয়া হয়েছে। বিমান রুটিন যেকোন সময় পরিবর্তনশীল হতে পারে। সেক্ষেত্রে সমস্ত দায় দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট বিমান সংস্থার।

ঢাকা রাজশাহী রুটের বিমান ভাড়া

বিভিন্ন বিমান সংস্থার বিভিন্ন রকম বিমান ভাড়া আছে। সংস্থাগুলো যাত্রী পরিবহনের ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের ক্লাস বা শ্রেণি বিন্যাস করে থাকে। ক্লাস ভেদে ভাড়া বিভিন্ন রকম হয়ে থাকে। এখানে আমরা চেষ্টা করেছি প্রতিটি বিমান সংস্থার সর্বচ্চ এবং সর্বনিম্ন ভাড়ার তালিকা** তৈরি করতে।

** তালিকাটি পরিবর্তিত হতে পারে এবং এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বিমান সংস্থার সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।

কিভাবে ঢাকা রাজশাহী বিমান টিকিট করবেন

আভ্যান্তরিন বিমান ভ্রমণের জন্য পাসপোর্টের প্রয়োজন হবে না। তাই বিমান ভ্রমণের আলাদা কোন ঝামেলা নেই বললেই চলে। নিরাপত্তার খাতিরে শুধু আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রটি হলেই চলবে।

টিকিট করতে পারবেন আপনার পছন্দের বিমান সংস্থার অফিস অথবা ওয়েবসাইট থেকে। অগ্রিম টিকিট করাটা বেশী সুবিধাজনক। ভাড়ার ক্ষেত্রে কিছুটা ছাড় পেতে পারেন। এছাড়া পছন্দসই আসনও বেছে নিতে পারবেন। এছাড়া ট্রাভেল এজেন্সি থেকেও টিকিট করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে আরও কিছু এক্সট্রা ডিসকাউণ্ট পেলেও পেতে পারেন। বাংলাদেশের ট্রাভেল এজেন্সি গুলোর মধ্যে ফ্লাইট এক্সপার্ট বেশ স্বনামধন্য। এদের ওয়েবসাইট ঠিকানাঃ

এছাড়া এরা ভ্রমণ সম্পর্কিত যেকোন প্রশ্নের জন্য তাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন এই নম্বরেঃ ০৯৬১৭-১১১-৮৮৮

লাগেজ সংক্রান্ত তথ্য

নিয়ম অনুযায়ী ইকোনমি যাত্রীরা প্রত্যেকে ২০ কেজি পরিমান চেক কৃত মালামাল বহন করতে পারবেন। তাছাড়া কেবিন লাগেজ হিসেবে  ৭ কেজি মাল বহন করা যাবে। বিজনেস ক্লাসের যাত্রীরা ৩০ কেজি চেক কৃত মালামাল এবং ৭ কেজি কেবিন লাগেজ বহন করতে পারবেন। এর চাইতে বেশী লাগেজ পরিবহন করতে চাইলে অতিরিক্ত ফি দিতে হবে। এই ফি সম্পর্কে জানার জন্যে আপনার নির্দিষ্ট এয়ারলাইন্সের সাথে যোগাযোগ করুন।