সৌন্দর্য বৃদ্ধি নয়, হানি হয়

স্বাস্থ্য বার্তা

আমরা যদি শুনি এটা করলে একটু উজ্জ্বল দেখাবে, ত্বকটা একটু ভালো হবে, চুলগুলো হবে ঝলমলে। কিন্তু এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নিয়ে অনেক সময়ই ভাবি না। ফলাফল-সৌন্দর্য না বেড়ে উল্টো ত্বকের ক্ষতি হয়। আসুন দেখে নেই নিজের অতি যত্নে, অসচেতনতায় কী কী করে থাকি:

অতিরিক্ত স্ক্র্যাবিং 

অতিরিক্ত স্ক্র্যাবিং-এর ফলে প্রাকৃতিক তেল হারিয়ে আমাদের ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। ত্বকে অনেক সময় ৠাশ ও ব্রণও দেখা দেয়, ত্বকে ক্ষতের সৃষ্টিও নতুন কিছু নয়। আর অবশ্যই এসিড সমৃদ্ধ পণ্য ত্বকে ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

ভেজা চুলের ভুল
ভেজাচুল শুকানোর জন্য আমরা ঘষে ঘষে তালু থেকে মুছি, এসময় চুলের গোড়া আলগা থাকে, ফলে চুল বেশি পড়ে। আরও আছে ভেজা চুল আঁচড়ানো ঠিক নয়। সব থেকে ভালো হয় পরিষ্কার শুকনো টাওয়াল দিয়ে চুলটা জড়িয়ে রাখুন। এমনিতেই পানি শুষে নেবে।

মেয়াদ আছে তো?
আমরা অনেক সময়ই কসমেটিকস কেনার সময় মেয়াদ দেখে কিনি। তবে ব্যবহারের সময় আর খেয়াল করি না মেয়াদ শেষ হয়ে গেলো কিনা। মেয়াদের পরে কসমেটিকস ব্যবহারের ফলে আমাদের ত্বকে অ্যালার্জি ও ইনফেকশন হতে পারে। এজন্য কয়েকমাস পরপর আগের কসমেটিসগুলো ফেলে নতুন কসমেটিস কিনুন। বিশেষ করে মাশকারা আর লিপিস্টিক কারণ চোখ এবং ঠোঁট খুবই স্পর্শকাতর। এর যত্নে কোনো হেলাফেলা নয়।

বেশি বেশি কন্ডিশনার
আমাদের অনেকেরই ধারণা শ্যাম্পু করার পরে বেশি সময় কন্ডিশনার মেখে রাখলে চুল বেশি কোমল মসৃণ হবে। কিন্তু এতে করে চুলের ভালোর চেয়ে ক্ষতিই হয় বেশি। কারণ চুল নরম হয়ে বেশি পড়ে। কন্ডিশনার লাগানোর সময় লক্ষ্য রাখতে হবে যেন এটি মাথার তালুতে না লাগে।

খবরঃ বাংলানিউজ